অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, রেজাউলের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, স্কুলের মাটি ভরাটের টাকা আত্মসাত, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়,শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরন, নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারী বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ,মাদকসেবনকারী,শিক্ষক কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিষয়টি এলাকাবাসী বর্তমান স্কুল সভাপতিকে বারবার জানালেও তিনিও পাত্তা দেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, স্বেচ্ছাচারী মনোভাবের জন্য শিক্ষকগণ মনোক্ষুণ্ণ, এবং সকল সুবিধা থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের বঞ্চিত রাখা হয়।
অবৈধ কাজে সম্মতি না দিলে খারাপ আচরণসহ নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের অজান্তে বিদ্যালয়ের বিগত বছর গুলোতে প্রভাবশালীদের নিয়ে তার অপকর্ম ঢাকতে পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।
এসব কারণে তাকে নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষক ও কর্মচারীসহ এলাকার শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়ে আছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে তাকে অপসারণের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা।
স্হানীয়রা জানান: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অনুলিপি প্রদান করা হলেও, রহস্যজনক কারনে নেওয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা। সেই শিক্ষক এখনো বহালতবিয়তে আছেন বলে জানা যায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতন হলেও রেজাউল করিম জানু’র প্রভাব বন্ধ হয়নি। নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ার পরথেকেই; প্রধান শিক্ষক পদটি আঁকড়ে ধরে রাখতে তিনি স্থানীয় ভিলেজ পলিটিক্সসহ বহিরাগতদের সহায়তায় প্রধান শিক্ষকের পদটি আঁকড়ে ধরে রাখতে আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয়ে আছেন।।
https://slotbet.online/