ষাটের দশকের এক উত্তাল আবহের মধ্যে কাব্যভুবনে আগমন ঘটে কবি নূর-ই-সাত্তার’র। লিখেছেন কবিতা, প্রবন্ধ, গবেষণা, জীবনীগ্রন্থ, কাব্যপন্যাস লিখেছেন গীতি কবিতাও। যখন যা ইচ্ছে তাতে হাত দিয়েছেন। সব পরিচয়কে ছাপিয়ে তিনি কবি।
আজন্ম শত অভিমান আর পুত্র হারানোর বেদনায় ভুগছিলেন কবি নূর-ই-সাত্তার। চোখের পানি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বিদায় জানানো হলো প্রিয় কবিকে। বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তারাও এসেছিলেন কবিকে বিদায় জানাতে। ছিলেন আলেম-ছাত্র,রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষও।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর-১২ টা ৩০ মিনিটে কবির গৃহ থেকে মৃতদেহ নিয়ে আসা হয় কুবাজপুর দারুল উলুম মাদরাসার মাঠে।যেখানে তিনি পড়াশোনা ও দীর্ঘ দিন শিক্ষকতা করেন।
কবি নূর-ই-সাত্তার’র জীবনের স্মৃতিচারণ করেন: অরুণোদয় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কুবাজপুর’র শিক্ষক, আখলাকুর রহমান, সিলেট ক্যামব্রীজ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক; জিল্লুর রহমান, জালালবাদ গ্যাস সিলেটের অবঃপ্রাপ্ত সরকারি কমকর্তা;আলহাজ্ব উস্তার আলী,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম, রওজাতুল কুরআন মাদরাসার মুহতামীম মাওলানা আজীর উদ্দীন প্রমুখ।
আলোচনায় তারা বলেন; কবি নূর-ই-সাত্তার অগণিত মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন। বই লিখেই এমন বিপুল পাঠকের ভালোবাসা পাওয়া অনেক বড় ব্যাপার। তার অনেক লেখা অপ্রকাশিত রয়ে গেছে। আমরা বিশ্বাস করি কবি নূর-ই-সাত্তার তার লেখার মাধ্যমে আমাদের মাঝে আজীবন বেঁচে থাকবেন।
পরে জোহরের নামাজের পর মাদ্রাসার মাঠে তার জানাজা পড়ান কবির একমাত্র জামাতা মাও. মুফতি জুবায়ের আহমদ। জানাজা শেষে কুবাজপুর দক্ষিণ পাড়া কবরস্থানে কবি পুত্র আল-মাহমুদের পাশে তাকে দাফন করা হয়।।
https://slotbet.online/