• মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নূরানী ও হাফিজি মাদরাসা: ইসলাম প্রচারের চমৎকার এক মাধ্যম -সাইয়্যিদ আসজাদ মাদানী জামেয়া লুৎফিয়া গাগলাজুর মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পুরস্কার প্রদান সুকান্ত শাহা’র দায়িত্ব হস্তান্তর: মোহাম্মদ শাহজাহানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ মধ্যনগর পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত একজন আসামী গ্রেফতার জামেয়া লুৎফিয়া গাগলাজুর মাদরাসার-৫২ তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন মধ্যনগর থানা পুলিশের অভিযানে-১ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার সরিষাবাড়ীতে অভ্যন্তরীণ আমন ধান ও চাল সংগ্রহ উদ্বোধন নাসির উদ্দীন চৌধুরী: পুরোনো অভিজ্ঞতায় নতুন বাজি ৩৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা পবিত্র ওমরাহরপালন শেষে দেশে ফিরলেন খিদমাহ ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান: ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ

আইন সংস্কার: প্রায়োগিক শাসনই আইনের সার্থকতা : মাওলানা আতিকুর রহমান কামালী

আতিকুর রহমান কামালী / ১৬০ সময় :
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

 

দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে এবং আইনের অপব্যবহার রোধ করতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে (২০০০) বেশ কিছু যুগান্তকারী সংস্কার আনা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই সংস্কার কার্যক্রম ঘোষণা করা হয়, যার মূল লক্ষ্য আইনের প্রায়োগিক দিককে আরও শক্তিশালী করা। এই সংস্কার প্রসঙ্গে তরুণ সংগঠক ও রাজনীতিবিদ, মাওলানা আতিকুর রহমান কামালী মন্তব্য করেছেন, “আইনের প্রায়োগিক শাসনই আইনের সার্থকতা।”

মূল সংস্কার ও পদক্ষেপসমূহ:
আইন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আইন প্রয়োগে গতি ও স্বচ্ছতা আনতে যে প্রধান পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে, তা নিম্নরূপ:
১. দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ:
ধর্ষণ মামলার বিচার সমাপ্ত করার সময়সীমা ১৮০ দিন থেকে কমিয়ে ৯০ দিন করা হয়েছে।
নির্দিষ্ট সময়ে তদন্ত ও বিচার কাজ শেষ না হলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিধান রাখা হয়েছে।
২. ‘বিয়ের প্রলোভনে যৌনসম্পর্ক’ আলাদা অপরাধ:
বিয়ের প্রলোভনে যৌনসম্পর্ককে এখন ধর্ষণের মামলার বদলে ‘প্রতারণামূলক যৌনকর্ম’ হিসেবে ভিন্ন অপরাধ হিসেবে গণ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত ধর্ষণের মামলার বিচার দ্রুত হবে এবং ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত উভয়কে হয়রানির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
৩. মিথ্যা মামলার বিচার:
মিথ্যা মামলার কারণে যেন কেউ হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য মিথ্যা মামলার বাদীকে বিচারক নিজ উদ্যোগে বিচার করার বিধান রাখা হয়েছে। এটি মাওলানা আতিকুর রহমান কামালীসহ সমাজের বিভিন্ন মহলের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিফলন।
৪. ছেলে শিশু বলাৎকার ও ট্রাইব্যুনাল:
ছেলে শিশু বলাৎকারকে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
শিশু ধর্ষণ প্রতিরোধে দেশের প্রতিটি জেলায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
৫. অন্যান্য সুরক্ষা:
মামলায় অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভিকটিমের সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মামলার প্রয়োজনে অনলাইনে সাক্ষ্য প্রদানের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের এই সংস্কার কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে, খতমে নবুয়ত সংরক্ষণ কমিটি জগন্নাথপুর উপজেলার সহ পাঠাগার সম্পাদক, মাওলানা আতিকুর রহমান কামালী বলেন, “শুধু কাগজে আইন থাকলে হবে না, যখন তার যথাযথ প্রয়োগ হবে, তখনই সেই আইন সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করবে। এই সংস্কারগুলো আইনের প্রায়োগিক শাসন নিশ্চিত করার দিকেই স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। আইনের প্রায়োগিক শাসনই আইনের সার্থকতা, নচেৎ আইনের ওপর ধূলির আস্তরণে তা ইমব্যালেন্সড হয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য: আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সংশোধনীগুলো ধর্ষণ মামলা নিষ্পত্তিতে গতি আনবে এবং আইনের অপব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে সহায়ক হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/