• সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দোয়ারাবাজার (চকবাজার) হরিণাপাঠি সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন বাঞ্ছারামপুরে সাবেক ইউপি সদস্য মুছা মিয়াকে গলাকে*টে হ*ত্যা রহনপুর-ঈশ্বরদীগামী কমিউটার ট্রেনের সৌন্দর্য বর্ধন উদ্বোধন করলেন (জিএম) গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রগঠনের সুযোগ আমরা হাতছাড়া করতে চাই না : এনসিপি নেতা মাসুদ দিরাইয়ে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ‘মাদকের বিরুদ্ধে খেলাধুলাকে হাতিয়ার করতে হবে’ -ছালিক আহমদ দিরাই’র খাকচিড়া বিলের বাঁধ কেটে অবাধে পানি নিষ্কাশন: পানির আকাল-কৃষকের মাথায় হাত চাঁদপুর-১ কচুয়ায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হলেন এনায়েত হাসিব সফলভাবে সম্পন্ন হল “মারকাযুল হিদায়া সিলেট”র বার্ষিক ইলমী প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০২৫ তরুণদের স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও দায়িত্ববোধ দিয়েই গড়ে উঠবে নতুন বাংলাদেশ

তিন বছরেও শেষ হয়নি খাসিয়ামারা সেতুর নির্মাণকাজ, দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি / ৬০ সময় :
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫

 

তিন বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুরে খাসিয়ামারা নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ। ফলে প্রতিদিনই রশি টেনে খেয়া নৌকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষার্থী, নারী-শিশুসহ সাধারণ যাত্রীরা। এলাকার মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বাড়লেও সেতুর কাজের অগ্রগতি নেই বললেই চলে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ৫০০ মিটার চেইনেজে ৭৫ মিটার পিসি গার্ডার সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। ২০২২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আলীপুর-টেংরাটিলা খেয়াঘাটে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে আনুষ্ঠানিকভাবে এর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। কিন্তু শুরু থেকেই কাজের গতি ছিল ঢিমেতালে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঠিকাদার দুই দিন কাজ করলে দুই মাস কাজ বন্ধ রাখেন। কখনো আরও দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকে। বর্তমানে প্রায় ছয়মাস ধরে সব ধরনের কাজই বন্ধ রয়েছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে।

আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, “আমরা প্রতিদিন জীবনবাজি রেখে খেয়া দিয়ে পারাপার হচ্ছি। বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। সেতুর কাজ কখন শেষ হবে—সে বিষয়ে কেউ কোনো জবাব দিতে পারে না।”

একই গ্রামের গৃহিণী ফারজানা আক্তার সেতু বলেন, “খুব কষ্ট করে খেয়া পার হতে হয়। বৃষ্টি হলে বা নদীতে স্রোত থাকলে আরও ভয় লাগে। কতদিন এভাবে চলবে আমরা জানি না।”

টেংরা হাইস্কুলের শিক্ষার্থী তুষার বলেন, “ব্রিজের কাজ শেষ না হওয়ায় সবসময় ঝুঁকি নিয়ে খেয়া পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেতে হয়। বর্ষাকালে যখন স্রোত বেশি থাকে তখন এদিক দিয়ে যেতে খুব ভয় লাগে। সবসময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা কাজ করে।”

এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার এলজিইডির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ঠিকাদারের খামখেয়ালীপনায় ব্রিজের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। কাজ বন্ধ না রাখলে আরো দুই বছর আগেই ব্রিজের কাজ শেষ হয়ে যেতো।”

এবিষয়ে ঠিকাদার শংকর বাবুর মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

সুনামগঞ্জের এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন জানান, “ঠিকাদারের সাথে আলাপ হয়েছে। খুব শিঘ্রই ব্রিজের কাজ পুনরায় শুরু হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/