• শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা স্থান পরিবর্তন করে পাগলা বাজারে নতুন করে ভিশন শো রুমের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে শিক্ষা সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলায় পুরস্কার পেল আক্তাপাড়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ছাতকে দাখিল পরিক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শহীদ আবু সাঈদ হ*ত্যা*য় দুজনের মৃ*ত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন শান্তিগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন: মামলাবাজির অভিযোগে হয়রানির শিকার পরিবার, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল-ভাংচুরের অভিযোগ দরগাপাশা ইউনিয়ন প্রাথমিক গোল্ডকাপ সম্পন্ন হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ পিচ নয় কাদা মাড়িয়েই কাটে জীবন: দিরাই-জগদল সড়ক কি অভিশাপ

বাঞ্ছারামপুরে পুলিশ চোরে ঘনিষ্ঠতা পুলিশ বরখাস্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: মোঃ আরজু হাসান / ৮৯ সময় :
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় গরু চুরির ঘটনায় এক চোরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তা বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ মাসুদ।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন। তিনি জানান, এক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে চোরের যোগাযোগের অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার দশানি গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়ার একটি গরু চুরি হয়। পরে স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে সন্দেহভাজন চোর আলাল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে গরুটি উদ্ধার করেন। এলাকাবাসীর দাবি, এ সময় আলাল মিয়া চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আলাল মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করেন। তাদের দাবি, ফোনটিতে ইমো অ্যাপে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এএসআই মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে ভয়েস মেসেজ, চ্যাট এবং ফোনালাপের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আলাল মিয়া পূর্বে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেই সূত্রে এএসআই মাসুদের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময়ে তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে অর্থ প্রদান করতেন এবং বিনিময়ে সহযোগিতা পেতেন।
এছাড়া সর্বশেষ গরু চুরির আগেও তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকি চুরির আগে সম্ভাব্য সমস্যা নিয়ে ফোনে পরামর্শ ও সহযোগিতা চেয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এএসআই মোহাম্মদ মাসুদ। তার দাবি, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি তাকে চিনতাম না, শুধু ইমোতে কথা হয়েছিল।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/