আইন-আদালত

হাফেজ সৈয়দ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা করে সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রতিবেদক · বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ · ১:৫২ পিএম

 

 

আজ (২৫ জুন) সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সুরকার সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা ও হত্যা চেষ্টা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সাবেক নেতা হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

একই মামলায় বর্তমান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর, জাতীয় সংসদের বর্তমান হুইপ জি কে গউছসহ ৯ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সংগঠনের সাবেক নেতা এবং সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়ন ছাত্র জমিয়তের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফ দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর কারাগারে বন্দি থাকার পর মাত্র এক মাস পূর্বে জামিনে মুক্তি লাভ করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান আমাদেরকে গভীরভাবে মর্মাহত ও উদ্বিগ্ন করেছে।

আমরা মনে করি, একই মামলায় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আসামি বেকসুর খালাস পেলেও কেবল হাফেজ নাঈমের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান বিচারিক ন্যায়বিচার ও সমতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একটি মামলায় দীর্ঘ দুই দশক কারাভোগের পর একজন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এ রায় পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে।

ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, উচ্চতর আদালতে মামলার সকল দিক যথাযথভাবে পর্যালোচিত হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
আমরা অবিলম্বে এ রায়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ, নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিতকরণ এবং হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফের প্রতি সুবিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাচ্ছি।

রিদওয়ান মাযহারী
সভাপতি: ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ
তারিখ: ২৫ জুন ২০২৬

সম্পর্কিত সংবাদ