নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের মাহনা এলাকায় যুবদল নেতা মাহফুজুর রহমান খোরশেদের বিরুদ্ধে অপহরণ, মারধর ও জোরপূর্বক ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, ব্যবসার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে সাত লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। গত দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়েও রফিকুল ইসলাম তা পরিশোধ করছেন না।
মাহফুজুর রহমান খোরশেদ রূপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি।
খোরশেদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২১ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি মাহনা এলাকায় রফিকুল ইসলামের কাছে পাওনা টাকা চাইতে যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে অপহরণ, মারধর ও ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, পাওনা টাকা চাওয়ার বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে তাঁকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মাহফুজুর রহমান খোরশেদ বলেন, “রফিকুল ইসলাম ব্যবসার কথা বলে আমার কাছ থেকে সাত লাখ টাকা নিয়েছেন। গত দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে কালক্ষেপণ করছেন। আমি আমার পাওনা টাকা চাইতে গেলে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়। আমি তাঁর কাছে টাকা পাই—পাওনা টাকা চাওয়াটা কি আমার অপরাধ? আমি ও আমার পরিবার সম্পর্কে এলাকার মানুষ জানেন। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
তিনি আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, রফিকুল ইসলাম রূপগঞ্জ থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে খোরশেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে মারধর এবং নয়টি নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে, খোরশেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আর্থিক লেনদেনের বিরোধের কথা তুলে ধরেছেন।




