হাটিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে স্থানীয় ভোটারদের নজর কাড়ছেন মহিদুর রহমান (শিবির)। তিনি হাটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন প্রতিকূলতার অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার ইউনিয়নের মানুষের সেবা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে মহিদুর রহমান বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করেছেন তিনি।
মহিদুর রহমানের প্রত্যাশা, হাটিপাড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা। ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সব ক্ষেত্রে পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চান তিনি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবাকে আরও সহজ ও জনমুখী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মহিদুর রহমান বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে শুধু পদ-পদবির বিষয় নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানুষের অধিকার আদায়ের একটি মাধ্যম। অতীতে অনেক প্রতিকূলতা ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে সময় পার করেছি। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন আমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জুগিয়েছে। আমি হাটিপাড়া ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি চাই হাটিপাড়া ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে সম্মান ও ন্যায্য সেবা পান। কোনো মানুষ যেন অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার না হন। তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান, এলাকার উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।”
স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ ও জনসম্পৃক্ততা বাড়িয়ে নির্বাচনী মাঠে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করছেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন ও ভালোবাসাই তার রাজনৈতিক পথচলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হাটিপাড়া ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে মহিদুর রহমান (শিবির) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তা ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।।




