নিখোঁজের তিনদিন পর জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা জমিয়তে সহসভাপতি মাওলানা মুস্তাক আহমদ গাজীনগরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে শান্তিগঞ্জ ও দিরাই উপজেলার মধ্যবর্তী শরিফপুর এলাকায় সুরমা নদীতে তাঁর মরদেহ ভাসমান অবস্থায় পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুশতাক আহমদের মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের গাজীনগর গ্রামের আব্দুল মন্নানের ছেলে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে তিনি নিখোঁজ। মুশতাক আহমদের সন্ধান চেয়ে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শান্তিগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার স্ত্রী রুবি বেগম।
মুস্তাক গাজীনগরী’র মরদেহ পাওয়া গেছে, এমন খবর পেয়ে সকাল থেকেই গাজীনগর এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে।
জানাজায় জমিয়ত,খেলাফত, বিএনপি জামাত,চরমোনাইসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে দরগাহপুর দারুলউলুম মাদরাসা কানায় কানায় ভরপুর হয়ে ওঠে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে আটটায় দারগাহপুর দারুল উলুম মাদরাসায় জানাজার নামাজ শেষে নিজ গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। মাওলানা মুস্তাক নিখোঁজ হওয়ার পরদিন থেকেই তার সন্ধান চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও
মানববন্ধন করেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জমিয়তের নেতা কর্মীরা। তার মরদেহ উদ্ধার করার পর থেকে হ*ত্যার বিচারের দাবিতে মিছিল করেছে তারা। নেতৃবৃন্দরা প্রশাসনে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাল দিয়ে উক্ত সময়ের মধ্যে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে না পারলে আমরা কঠিন ব্যবস্হা নিতে বাধ্য হবো।
এবিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ জানান, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় এবং ইতিপূর্বে দাফনও সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।’
https://slotbet.online/