শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের গণিনগর ষোলোগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মনোরঞ্জন দাশের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্ক ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী এক তরুণী। শনিবার সকালে গণিনগর ষোলোগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি। অভিযোগের সময়ের একটি ভিডিও আছে এই প্রতিবেদকের হাতে।
লিখিত বক্তব্যে ওই নারী উল্লেখ করেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষক মনোরঞ্জন দাশ শাল্লা উপজেলার সাউদেরশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন সময় তিনি ওই তরুণীর প্রাইভেট শিক্ষক ছিলেন। অভিযোগে তিনি বলেছেন, শিক্ষকতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মনোরঞ্জন দাশ তাকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে আবেগের সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন অনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখেন। প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর সম্পর্ক চলাকালে তিনি তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হাওলাত হিসেবে নেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বর্তমানে ওই শিক্ষক সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার করছেন এবং টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো তাকে হুমকি দিচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক মনোরঞ্জন দাশ বলেন, ওই তরুণী মূলত আমাকে হেনস্তা ও ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতে এমন অভিযোগ করেছে৷ কেনো এমনটি করছে আমি তা জানি না।
পাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, এরকম একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
এ বিষয়ে গণিনগর ষোলোগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তদবীর আলম বলেন, এমন একটি লিখিত অভিযোগ এক নারী আমার কাছে দিয়েছেন৷ আমি সাথে সাথে আমাদের বিদ্যালয় পরিচালনা করিটির সভাপতি ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান স্যারকে অবগত করেছি। স্যারই এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, অফিসিয়ালি কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে মোবাইলে ফোনে আমি জেনেছি। অভিযোগ হাতে পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
https://slotbet.online/