• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জগন্নাথপুরে নির্বাচনী বিরোধে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় বিএনপি নেতা সৈয়দ জহর গুরুতর আহত ক্যাম্পাসে আদর্শহীন ছাত্র রাজনীতির অবসান চাই দোয়ারাবাজারে ইরার বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে ইউএনও অরূপ রতন সিংহ ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পলাতক  আসামী তাহিদুল গ্রেফতার মধ্যনগর পুলিশের বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত আসছে আনোয়ার পারভেজের নতুন বই ‘মধ্যবয়সী নারী’: এক অদম্য জীবনযুদ্ধের গল্প শান্তিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় থমকে গেল কুরআনে হাফিজ হওয়ার স্বপ্ন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সাইপ্রাস যুবদলের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইমরান, সাধারণ সম্পাদক মিল্লাত, সাংগঠনিক সম্পাদক রেদ্বওয়ান শাপলা ট্রাজেডির গুপ্ত ষড়যন্ত্রকারীদেরও বিচার করতে হবে : সাআদ বিন জাকির

ওয়াহাবীদের বিষয়ে বক্তব্যের পর ভোট চাইতে গিয়ে বিতর্কে তাহেরি

অক্ষর ডেস্ক: / ২৯২ সময় :
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬

 

হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনের সুন্নি জোট মনোনীত প্রার্থী মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরিকে ঘিরে এলাকায় বিতর্ক ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি একটি মাহফিলে ওয়াহাবী মতাদর্শের অনুসারীদের সঙ্গে আত্মীয়তা, তাদের পেছনে নামাজ আদায়, জানাজায় অংশগ্রহণ, কন্যা বিবাহ দেওয়া, সালাম দেওয়া এবং এমনকি তাদের কবর জিয়ারতও করা যাবে না—এমন বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এরপরও ওই মতাদর্শের অনুসারীদের কাছেই ভোট চাইতে যাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
মঙ্গলবার( ৬ জানুয়ারী) রাতে চুনারুঘাট উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের সুন্দরপুর বাজারে নির্বাচনী প্রচারণাকালে এক দোকানদারের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সময় তিনি সালাম দিয়ে হাত মেলান। এ সময় ওই দোকানদার নিজেকে ওয়াহাবী মতাদর্শের অনুসারী দাবি করে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলেন—ওয়াহাবীদের সঙ্গে সম্পর্ক নিষিদ্ধ বলার পর তিনি কেন তাদের কাছেই হাত মিলিয়ে ভোট চাইছেন।
এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কিছু সময় যুক্তিতর্ক হয়। একপর্যায়ে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বলেন, রাজনীতির সঙ্গে আকিদার কোনো সম্পর্ক নেই। যাদের আকিদাগত সমস্যা রয়েছে, তাদের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছিলাম। তবে রাজনীতি ও আকিদা আলাদা বিষয়। রাজনীতি হবে ইনসাফের ভিত্তিতে। এরপর তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
পরে বিতর্কিত বক্তব্যের বিষয়টি স্বীকার করে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বলেন, ধর্ম, বর্ণ কিংবা দলমত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব। জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাউকে আলাদা করার কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচিত হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে চলব।
তিনি আরও বলেন, যাদের আকিদাগত সমস্যা রয়েছে, তাদের বিষয়ে আমি বক্তব্য দিয়েছিলাম। তবে রাজনীতি ও আকিদা আলাদা বিষয়।
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক বাস্তবতা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বক্তব্য ও আচরণের মধ্যে অসঙ্গতির বিষয়টি সামনে আনছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/