• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সাংবাদিক কাজী মমতাজের মাতার রুহের মাগফেরাত কামনায় ১০ম মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শান্তিগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ বরণ তুচ্ছ ঘটনায় মাসুক মেম্বার ও হোসাইন বাহিনীর তাণ্ডব: দিনমজুর আহাদনুর খু*ন, দুই সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী শান্তিগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তরুণীর অনৈতিক সম্পর্ক ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ শান্তিগঞ্জে রওজাতুল কুরআন মাদরাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও প্রবাসী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান স্থান পরিবর্তন করে পাগলা বাজারে নতুন করে ভিশন শো রুমের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে শিক্ষা সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলায় পুরস্কার পেল আক্তাপাড়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ছাতকে দাখিল পরিক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শহীদ আবু সাঈদ হ*ত্যা*য় দুজনের মৃ*ত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন শান্তিগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন: মামলাবাজির অভিযোগে হয়রানির শিকার পরিবার, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

ওয়াহাবীদের বিষয়ে বক্তব্যের পর ভোট চাইতে গিয়ে বিতর্কে তাহেরি

অক্ষর ডেস্ক: / ২৭৯ সময় :
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬

 

হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনের সুন্নি জোট মনোনীত প্রার্থী মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরিকে ঘিরে এলাকায় বিতর্ক ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি একটি মাহফিলে ওয়াহাবী মতাদর্শের অনুসারীদের সঙ্গে আত্মীয়তা, তাদের পেছনে নামাজ আদায়, জানাজায় অংশগ্রহণ, কন্যা বিবাহ দেওয়া, সালাম দেওয়া এবং এমনকি তাদের কবর জিয়ারতও করা যাবে না—এমন বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এরপরও ওই মতাদর্শের অনুসারীদের কাছেই ভোট চাইতে যাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
মঙ্গলবার( ৬ জানুয়ারী) রাতে চুনারুঘাট উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের সুন্দরপুর বাজারে নির্বাচনী প্রচারণাকালে এক দোকানদারের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সময় তিনি সালাম দিয়ে হাত মেলান। এ সময় ওই দোকানদার নিজেকে ওয়াহাবী মতাদর্শের অনুসারী দাবি করে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলেন—ওয়াহাবীদের সঙ্গে সম্পর্ক নিষিদ্ধ বলার পর তিনি কেন তাদের কাছেই হাত মিলিয়ে ভোট চাইছেন।
এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কিছু সময় যুক্তিতর্ক হয়। একপর্যায়ে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বলেন, রাজনীতির সঙ্গে আকিদার কোনো সম্পর্ক নেই। যাদের আকিদাগত সমস্যা রয়েছে, তাদের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছিলাম। তবে রাজনীতি ও আকিদা আলাদা বিষয়। রাজনীতি হবে ইনসাফের ভিত্তিতে। এরপর তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
পরে বিতর্কিত বক্তব্যের বিষয়টি স্বীকার করে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বলেন, ধর্ম, বর্ণ কিংবা দলমত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব। জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাউকে আলাদা করার কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচিত হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে চলব।
তিনি আরও বলেন, যাদের আকিদাগত সমস্যা রয়েছে, তাদের বিষয়ে আমি বক্তব্য দিয়েছিলাম। তবে রাজনীতি ও আকিদা আলাদা বিষয়।
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক বাস্তবতা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বক্তব্য ও আচরণের মধ্যে অসঙ্গতির বিষয়টি সামনে আনছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/