আসন্ন জগদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ ও সাধারণ মানুষের মাঝে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ইউনিয়নবাসীর মুখে মুখে এখন একটিই নাম—যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী এবং শাহজালাল (রহ.) নূরানী মডেল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা আওলাদ হোসেন (জগদলী হুজুর)।
দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা বিস্তার, ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রচার ও মানবসেবায় নিয়োজিত থাকায় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তাঁর একটি ক্লিন ইমেজ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, জগদল ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও একটি মডেল ইউনিয়ন গঠনে তাঁর মতো যোগ্য ও পরোপকারী নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।
প্রবাসে থেকেও নাড়ির টানে মানবতার সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত মাওলানা আওলাদ হোসেন সুদূর যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলেও মন পড়ে রয়েছে তাঁর প্রিয় জন্মভূমিতে। এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার এবং বিশেষ করে এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। তাঁর অর্থায়ন ও দিকনির্দেশনায় প্রতিষ্ঠিত ‘শাহজালাল (রহ.) নূরানী মডেল মাদরাসা’ আজ অত্র অঞ্চলের দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষা বিস্তারে এক আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাওলানা আওলাদ হোসেনের সঙ্গে তাদের সার্বক্ষণিক ও নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ইউনিয়নের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে তাঁর বাস্তবমুখী ও উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা তরুণ সমাজ থেকে শুরু করে প্রবীণদেরও আশাবাদী করে তুলেছে।
এলাকার কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তিত্ব জানান:
“আমরা এমন একজন মানুষ চাই, যিনি সৎ, শিক্ষিত এবং জনগণের দুঃখ-দুর্দশা বোঝেন। আওলাদ হোসেন (জগদলী হুজুর) প্রবাসে থেকেও যেভাবে আমাদের এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে আসন্ন নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হলে জগদলের চেহারা বদলে যাবে।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সবখানেই মাওলানা আওলাদ হোসেনের প্রার্থিতা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের মতে, জগদল ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত এবং শিক্ষাবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে তাঁর মতো দূরদর্শী নেতার বিকল্প নেই।
নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে মাওলানা আওলাদ হোসেনকে (জগদলী হুজুর) ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ততই বাড়ছে। ইউনিয়নবাসী মনে করছেন, তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে জগদল ইউনিয়নে উন্নয়নের এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।




