ইসলামি বইমেলায় লিটল ম্যাগাজিনের জন্য কোনো কর্ণার না রাখার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী বলেন, লিটল ম্যাগাজিন তরুণদের চিন্তা, সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীলতার বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। মাদরাসার তালেবে ইলমসহ দেশের তরুণদের একটি বড় অংশ এসব ছোট কাগজের মাধ্যমে নিজেদের চিন্তা ও সাহিত্য প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছে।
তিনি বলেন, ইসলামি সাহিত্য ও প্রকাশনার বর্তমান যে বিস্তৃত পরিসর আমরা দেখছি, তার পেছনে ছোট ছোট পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের দীর্ঘদিনের অবদান রয়েছে। বহু লেখক ও সাহিত্যিকের হাতেখড়ি হয়েছে এসব প্রকাশনার মাধ্যমে। পরবর্তী সময়ে তাদের অনেকে সংবাদমাধ্যম, প্রকাশনা, ব্যবসা ও বিভিন্ন সৃজনশীল উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেই ধারাবাহিকতা এখনো তরুণদের মধ্যে বিদ্যমান।
রিদওয়ান মাযহারী বলেন, গতবারের ইসলামি বইমেলায় বিপুল সংখ্যক ছোট সাহিত্যপত্রের উপস্থিতি প্রমাণ করেছে যে তরুণদের মধ্যে ইসলামি সাহিত্য ও চিন্তাচর্চার আগ্রহ কমেনি, বরং তা নতুনভাবে বিকশিত হচ্ছে। এই সৃজনশীল ধারাকে উৎসাহিত করার দায়িত্ব মেলা কর্তৃপক্ষের। লিটল ম্যাগাজিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট কর্ণার রাখা হলে একদিকে যেমন নতুন লেখক ও চিন্তকদের প্রকাশের সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে ইসলামি সাহিত্যচর্চার এই ঐতিহ্যও আরও সমৃদ্ধ হবে।
তিনি আরও বলেন, জায়গার সীমাবদ্ধতা থাকলেও লিটল ম্যাগাজিনগুলোকে একত্র করে একটি নির্দিষ্ট পরিসর দেওয়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব। ইসলামি বইমেলায় লিটল ম্যাগাজিনের কোনো প্রয়োজন নেই এমন ধারণা তরুণদের সাহিত্য ও সৃজনশীল উদ্যোগকে অবমূল্যায়ন করার শামিল। আমরা আশা করি, মেলা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে লিটল ম্যাগাজিনের জন্য একটি পৃথক কর্ণার রাখার ব্যবস্থা করবে।
বার্তাপ্রেরক:
~আহমাদ আল গাজি
কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সমন্বয়ক,
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ




