• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সাংবাদিক কাজী মমতাজের মাতার রুহের মাগফেরাত কামনায় ১০ম মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শান্তিগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ বরণ তুচ্ছ ঘটনায় মাসুক মেম্বার ও হোসাইন বাহিনীর তাণ্ডব: দিনমজুর আহাদনুর খু*ন, দুই সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী শান্তিগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তরুণীর অনৈতিক সম্পর্ক ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ শান্তিগঞ্জে রওজাতুল কুরআন মাদরাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও প্রবাসী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান স্থান পরিবর্তন করে পাগলা বাজারে নতুন করে ভিশন শো রুমের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে শিক্ষা সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলায় পুরস্কার পেল আক্তাপাড়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ছাতকে দাখিল পরিক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শহীদ আবু সাঈদ হ*ত্যা*য় দুজনের মৃ*ত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন শান্তিগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন: মামলাবাজির অভিযোগে হয়রানির শিকার পরিবার, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

দিরাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের বদলে মিলছে ‘শতভাগ’ লোডশেডিং

আহমেদ হেলাল✒️দিরাই / ১৯৮ সময় :
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫

  • ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’—এই স্লোগানে দেশজুড়ে শতভাগ বিদ্যুতায়নের সাফল্য ঘোষণা করা হলেও, বাস্তবে সেই সাফল্য যেন এক নির্মম পরিহাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। শতভাগ বিদ্যুতায়িত এলাকার তকমা পাওয়া একটি উপজেলার জগদল ইউনিয়নের বাসিন্দারা এখন শতভাগ লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে ডুবে আছেন।

​স্থানীয়দের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুতের সীমাহীন উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে পুরো ইউনিয়ন বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, কার্যত যা এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রাকে জিম্মি করে ফেলেছে।
​অন্ধকারের করুণ চিত্র দিনের সিংহভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না জগদল ইউনিয়নে। রাত নামলেই পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় এখানকার জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
শিক্ষায় প্রভাব: শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

অর্থনৈতিক ক্ষতি: ছোট-বড় ব্যবসা, কলকারখানা এবং কৃষিকাজে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফ্রিজে রাখা খাবার নষ্ট হচ্ছে।

স্বাস্থ্য সমস্যা: প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতেও বিদ্যুৎ সংকটে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

​স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, “আমাদের ইউনিয়নকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমরা হয়তো সর্বোচ্চ ৫-৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাই। বাকিটা সময় ঘন অন্ধকারে ডুবে থাকি। পল্লী বিদ্যুৎ যেন আমাদের জিম্মি করে রেখেছে।”
​পল্লী বিদ্যুতের নিরুত্তর ভূমিকা একাধিকবার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেও সন্তোষজনক কোনো উত্তর পাননি স্থানীয়রা। কখনও ‘সিস্টেম লস’ আবার কখনও ‘জাতীয় গ্রিডে লোড কম’—এমন মনগড়া অজুহাত দিয়েই দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। কোনো কোনো সময় লোডশেডিংয়ের সুনির্দিষ্ট কোনো শিডিউলও দেওয়া হচ্ছে না।
​এ বিষয়ে জগদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/সদস্য/স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শতভাগ বিদ্যুতায়িত এলাকায় যদি এমন লোডশেডিং হয়, তবে সরকারের এত বড় অর্জন অর্থহীন হয়ে যায়। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে আমরা বারবার অনুরোধ করেছি, কিন্তু কোনো সুরাহা হচ্ছে না। পল্লী বিদ্যুতের সেবার মান শূন্যের কোঠায়।”
​দ্রুত সমাধানের দাবি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে এলাকার মানুষ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন অনেকে।
​ভুক্তভোগীরা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেছেন, “আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চাই, শতভাগ লোডশেডিং নয়। পল্লী বিদ্যুৎকে তাদের দায়িত্বশীলতা প্রমাণ করতে হবে এবং জনগণকে এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দিতে হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/