• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জগন্নাথপুরে নির্বাচনী বিরোধে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় বিএনপি নেতা সৈয়দ জহর গুরুতর আহত ক্যাম্পাসে আদর্শহীন ছাত্র রাজনীতির অবসান চাই দোয়ারাবাজারে ইরার বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে ইউএনও অরূপ রতন সিংহ ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পলাতক  আসামী তাহিদুল গ্রেফতার মধ্যনগর পুলিশের বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত আসছে আনোয়ার পারভেজের নতুন বই ‘মধ্যবয়সী নারী’: এক অদম্য জীবনযুদ্ধের গল্প শান্তিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় থমকে গেল কুরআনে হাফিজ হওয়ার স্বপ্ন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সাইপ্রাস যুবদলের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইমরান, সাধারণ সম্পাদক মিল্লাত, সাংগঠনিক সম্পাদক রেদ্বওয়ান শাপলা ট্রাজেডির গুপ্ত ষড়যন্ত্রকারীদেরও বিচার করতে হবে : সাআদ বিন জাকির

কিস্তি দিতে না পারায় গৃহবধূর আংটি ও বদনা নিয়ে গেলো এনজিও

অক্ষর ডেস্ক: / ২৬০ সময় :
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

 

এনজিও কর্মী পাশ বইয়ে আংটি বাবদ ৮ হাজার ও বদনা বাবদ ১৫০০ টাকা জমা করেছেন।
বাগেরহাটের চিতলমারীতে একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) কর্মীদের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূর হাতের স্বর্ণের আংটি, নাকফুল ও পিতলের বদনা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সময়মতো কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় ওই এনজিওর এক কর্মী পাশ বইয়ে ‘আংটি বাবদ ৮ হাজার’ এবং ‘বদনা বাবদ ১ হাজার ৫০০ টাকা’ জমা হিসেবে লিখে রাখেন বলে অভিযোগ করেছে এক গৃহবধূ।

শনিবার (৮ নভেম্বর) গৃহবধূর একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। তবে সংশ্লিষ্ট এনজিওর কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, গৃহবধূ খুশি হয়েই তার গয়না ও বদনা দিয়েছেন।

অভিযোগকারী গৃহবধূ শ্রাবণী হীরা (২২) জানান, তিনি ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (DFED)-এর চিতলমারী শাখা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। লাভসহ ফেরত দিতে হতো ৪৫ হাজার ১২০ টাকা। কিন্তু কিছু টাকা বাকি থাকতে তার স্বামী রিপন কাজের জন্য এলাকা ছাড়লে কয়েকটি কিস্তি বাকি পড়ে যায়।

শ্রাবণীর অভিযোগ, গত ২৯ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে এনজিওর কর্মীরা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে অফিসে নেয়। সেখানে তাকে ও তার তিন বছরের কন্যাকে একটি কক্ষে তালা দিয়ে রাখে। পরে বিকেলে ফিল্ড থেকে ফিরে কর্মকর্তারা তাকে দুইটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে জোরপূর্বক হাতের আংটি, নাকফুল ও পিতলের বদনা নিয়ে যায় এবং এ সময় ভিডিও ধারণ করে।

তিনি বলেন, আমাকে তালাবদ্ধ করে ভয় দেখানো হয়। আমার মেয়ে ক্ষুধায় কাঁদছিল, কিন্তু আমি কিছু বলতে পারিনি।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএফইডি চিতলমারী শাখার ম্যানেজার বাসুদেব দেবনাথ বলেন, গৃহবধূ শ্রাবণীর কিস্তি খেলাপি ছিল। তার কাছ থেকে নাকফুল নেওয়ার বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে।

—(সুত্র দৈনিক ইত্তেফাক)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/