জুলাই মঞ্চ’র আহবায়ক
আরিফুল ইসলাম তালুকদার’র বিশেষ বার্তা
১. আমরা জুলাই বিপ্লবে জুলাই যোদ্ধা, আহত কিংবা শহীদ কারো জন্যই রাষ্ট্রে কোনরকম কোটাব্যবস্থা দেখতে চাই না।
২. কারো জন্যই কোন মাসিক ভাতা দেখতে চাই না।
৩. রাষ্ট্র থেকে বিশেষ কোন সুবিধা কারো জন্যই দেখতে চাই না।
কারণ আমরা মনে করি, এসবের মধ্যেই ভবিষ্যতের জঘন্য বৈষম্যের বীজ নিহিত থাকবে।
তাহলে তাদের জন্য আমরা কী চাই?
আমরা দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলতে চাই-
১. শহীদঃ দেশের জন্য যিনি জীবন দিলেন, তার নিকট থেকে তার পরিবার এক জীবনে যে সাপোর্ট পেত সেই পরিমাণ অর্থ রাষ্ট্রকে এককালীন দিয়ে দিতে হবে। এই পরিমাণ টা আমরা প্রস্তাব করেছি মিনিমাম/মেক্সিমাম হতে পারে একজন ১ম শ্রেণির সরকারি অফিসারের এক জীবনের সমপরিমাণ বেতনের অর্থ।
২. আহতঃ যারা আহত হয়েছে, তাদের সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হবার যাবতীয় খরচ বহন করবে রাষ্ট্র। তাদের কোন নগদ টাকা দেয়া হবে না। তার আহত হবার কারণে তার ক্যারিয়ার গঠনে যে প্রতিবন্ধকতা তৈরী হবার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে সেটি দূর করার ব্যবস্থা করবে রাষ্ট্র। সেজন্য এককালীন তাকে উদ্যেক্তা হবার ব্যবস্থা করে দিবে। কিন্তু মাসিক কোন ভাতা, সরকারি চাকুরীতে কোটা দিয়ে তাকে অপমান করবে না।
৩. সাধারণ জুলাই যোদ্ধাঃ সাধারণ জুলাই যোদ্ধারাও শহীদ বা আহত হতে পারত, বেঁচে গিয়ে তারা কোন অপরাধ করে ফেলে নি। সেজন্য তাদের যোগ্যতা অনুসারে উদ্যেক্তা হবার ব্যবস্থা করে দিতে পারে রাষ্ট্র।
৪. দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী সরকার দ্বারা নির্যাতিত, বঞ্চিত মেধাবী যারা রয়েছে, কেবল দেশপ্রেমের কারণে আপস করে নি এবং যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্র যন্ত্রে ঢুকতে পারে নি, কিন্তু এখন বয়স নাই। যারা জুলাই যুদ্ধে অংশও নিয়েছে তাদের দিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত আমলাতন্ত্র গঠন করতে হবে। সেজন্য বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা করবে রাষ্ট্র।
আরিফুল ইসলাম তালুকদার আহবায়ক, জুলাই মঞ্চ




