• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জামিয়া ইসলামিয়া রিয়াজুল উলূম মাদরাসা শান্তিগঞ্জ: শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ডাচ বাংলা ব্যাংকের অর্থায়নে জনতা চক্ষু হাসপাতালের মাধ্যমে-শতাধিক অসহায় মানুষ পেল বিনামূল্যে চক্ষু সেবা শান্তিগঞ্জে জামিয়া ইসলামিয়া রিয়াজুল উলূম মাদরাসার শুভ উদ্বোধন আগামী শনিবার সাংবাদিক কাজী মমতাজের মাতার রুহের মাগফেরাত কামনায় ১০ম মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শান্তিগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ বরণ তুচ্ছ ঘটনায় মাসুক মেম্বার ও হোসাইন বাহিনীর তাণ্ডব: দিনমজুর আহাদনুর খু*ন, দুই সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী শান্তিগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তরুণীর অনৈতিক সম্পর্ক ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ শান্তিগঞ্জে রওজাতুল কুরআন মাদরাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও প্রবাসী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান স্থান পরিবর্তন করে পাগলা বাজারে নতুন করে ভিশন শো রুমের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে শিক্ষা সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলায় পুরস্কার পেল আক্তাপাড়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা

ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপনের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারী হেফাজতের

রিপোর্টার নাম : / ১২৫ সময় :
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫

◑মাহমুদুর রহমান নাঈম◑ঢাকা প্রতিনিধি

অন্তর্বর্তী সরকার ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস স্থাপন চুক্তিতে সই করায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

শনিবার (১৯ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব মাওলানা সাজেদুর রহমান এ প্রতিবাদ জানান।

নেতৃদ্বয় বলেন, দেশের ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামী দলগুলোর টানা প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ও উদ্বেগ সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপন চুক্তিতে সই করায় আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নাগরিকদের মতামত ও উদ্বেগ উপেক্ষা করে কোনো স্পর্শকাতর ইস্যুতে এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না সরকার। অবিলম্বে এই চুক্তি বাতিল না করলে কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবো। মার্কিন স্বার্থে তাঁবেদার জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস এদেশে হতে দেয়া যায় না। এটা এদেশের ওলামায়ে কেরামের নীতিগত সিদ্ধান্ত।

তারা আরো বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস সাধারণত যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোতেই দেখা যায়। সেই অফিস এখন আমাদের দেশে হওয়াটা সম্মানজনক নয়। বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধপীড়িত দেশ না হওয়া সত্ত্বেও এখানে তাদের অফিস করতে চাওয়াটা রহস্যজনক। তাছাড়া জুলাই বিপ্লবের দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস এদেশে কোনো দরকার নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত সময় নষ্ট না করে জুলাই বিপ্লবের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা।

হেফাজত নেতৃবৃন্দ বলেন, অতীতে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থা বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন, ইসলামী শরিয়া ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেছে। নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনেও একই চিত্র দেখা গেছে। এছাড়া সমকামী তথা এলজিবিটি ইস্যুটি জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের মানবাধিকার দর্শন ও নীতিমালার অন্তর্ভুক্ত। সম্প্রতি বাংলাদেশের ধর্মীয়-সামাজিক মূল্যবোধ অবজ্ঞা করে একজন সমকামী ব্যক্তিকে বাংলাদেশে জাতিসংঘের নতুন দূত নিয়োগ দেয়ার সংবাদ গণমাধ্যমে এসেছে। আমাদের দেশে নারী ইস্যুর আড়ালে অভিশপ্ত এলজিবিটি সম্প্রদায় প্রকাশ্যে নানা অপতৎপরতা শুরু করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ঘিরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র আরো বিস্তৃত হচ্ছে। এমতাবস্থায় এদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস খোলার পরিণতি আমাদের কাছে পরিষ্কার। দৃশ্যত আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং ধর্মীয়-সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষার দায় বোধ করছে না অন্তর্বর্তী সরকার। তাই বলে আমরা ওলামায়ে কেরাম চুপ করে বসে থাকতে পারি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/