সৌদি আরব থেকে পাওয়া উপহারের খেজুর এখন দেশের আলোচনার অন্যতম ইস্যু। কুমিল্লার এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ এই খেজুর বিতরণের তথ্য প্রকাশের পর সারাদেশের মানুষ জানতে চাচ্ছেন তাদের জেলা উপজেলার খেজুর কোথায় গেল। ব্যতিক্রম নন সুনামগঞ্জের মানুষও। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জানতে চাচ্ছেন কোথায় গেল সুনামগঞ্জ জেলার বরাদ্দ ২৩৪ প্যাকেট খেজুর। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সমালোচনার পর খেজুর বিতরণের তালিকা প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয় প্রথম চিঠিতে ২৩৪ প্যাকেট উল্লেখ থাকলেও একই স্মারক নম্বরে পরবর্তী আরেক চিঠিতে সংশোধন করে ২২৫ প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয় সুনামগঞ্জে।
প্রাপ্ত খেজুরগুলো ইতোমধ্যে উপজেলায় উপবরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
পোস্টে বলা হয়, সকলের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,King Salman Humanitarian Aid and Relief Center কর্তৃক উপহার হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলার জন্য প্রাথমিকভাবে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কতৃক প্রেরিত চিঠিতে ২৩৪ কার্টুন খেজুর বরাদ্দের উল্লেখ ছিল।
পরবর্তীতে সংশোধিত চিঠির মাধ্যমে বরাদ্দ পরিবর্তন করে ২২৫ কার্টুন নির্ধারণ করা হয়।
ইতোমধ্যে প্রাপ্ত বরাদ্দ অনুযায়ী খেজুরসমূহ জেলার সকল উপজেলায় জনসংখ্যা ও ইউনিয়নের সংখ্যানুপাতে উপবরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং উপজেলা হতে বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত চিঠির তথ্য অনুযায়ী, জেলায় বরাদ্দ ২২৫ প্যাকেট খেজুরের মধ্যে ছাতকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২৮ প্যাকেট, দোয়ারাবাজার ২৩, সদর উপজেলা ২৪, জগন্নাথপুর ২২, তাহিরপুর ২১, বিশ্বম্ভরপুর ১৫, দিরাই১৭ , জামালগঞ্জ ১৭, শান্তিগঞ্জ ১৭, ধর্মপাশা ১৭, মধ্যনগর ১২ ও শাল্লা উপজেলায় ১২ প্যাকেট।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হাসিবুল ইসলাম জানান, প্রথম চিঠিতে জেলায় ২৩৪ প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। পরের চিঠিতে একই স্মারকে সংসোধন করে ২২৫ প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আমরা সেগুলো গ্রহণ করে উপজেলাগুলোতে উপবরাদ্দ দিয়েছি। ইতোমধ্যে কোন কোন উপজেলায় বিতরণ বিতরণ শেষ, কোনটিতে এখনো চলছে।
>>সূত্র: দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর
https://slotbet.online/