• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জগন্নাথপুরে নির্বাচনী বিরোধে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় বিএনপি নেতা সৈয়দ জহর গুরুতর আহত ক্যাম্পাসে আদর্শহীন ছাত্র রাজনীতির অবসান চাই দোয়ারাবাজারে ইরার বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে ইউএনও অরূপ রতন সিংহ ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পলাতক  আসামী তাহিদুল গ্রেফতার মধ্যনগর পুলিশের বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত আসছে আনোয়ার পারভেজের নতুন বই ‘মধ্যবয়সী নারী’: এক অদম্য জীবনযুদ্ধের গল্প শান্তিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় থমকে গেল কুরআনে হাফিজ হওয়ার স্বপ্ন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সাইপ্রাস যুবদলের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইমরান, সাধারণ সম্পাদক মিল্লাত, সাংগঠনিক সম্পাদক রেদ্বওয়ান শাপলা ট্রাজেডির গুপ্ত ষড়যন্ত্রকারীদেরও বিচার করতে হবে : সাআদ বিন জাকির

বিদ্যুৎ লোডশেডিং: অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছে মধ্যনগর উপজেলাবাসী

মো: সাইদুর রহমান জিয়া / ১৯ সময় :
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

 

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৮ ঘণ্টাই বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। বাকি সময়েও ক্ষণিকের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে তুলছে।

স্থানীয়রা জানান, দিন-রাতে মিলিয়ে ৪-৫ ঘণ্টা টানা বিদ্যুৎ না থাকার ঘটনা প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক ব্যপার হয়ে দাঁড়িয়েছে এখানে। কখনো বিদ্যুৎ এলেও তা ১৫-২০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না। ফলে ঘরোয়া কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য- সবখানেই বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে আসন্ন এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীরা।

উপজেলার তেলীপাড়া বাসিন্দা মোঃ তাহের মিয়া বলেন। বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। কয়েক দিন ধরে টানা বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাস্তবে দিনে ১৮ ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ থাকে না জানায়, ২১ এপ্রিল থেকে আমাদের এসএসসি পরীক্ষা শুরু। কিন্তু গত দুই মাস ধরে বিদ্যুতের সমস্যা এতটাই বেশি যে সন্ধ্যার পর পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে অন্তত এক-দুই ঘণ্টা টানা বিদ্যুৎ থাকলেও কিছুটা প্রস্তুতি নিতে পারতাম।

একই ধরনের অভিযোগ করেন পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকেরা। গত এক মাস ধরে দিনের বেলায় তো বিদ্যুৎ থাকেই না, সন্ধ্যার পরও ক্ষণিকের জন্য এসে আবার চলে যায়। শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমার এলাকায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ লাইনে বা ট্রান্সফরমারে সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয় না। অভিযোগ কেন্দ্রে যোগাযোগ করেও তাৎক্ষণিক সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হয়। এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়ন ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এদিকে, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষও বিদ্যুতের এ সমস্যার কথা স্বীকার করছে। ধর্মপাশা সাব জোনাল অফিস এজিএম (ওএন্ডএম) মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, শুধু মধ্যনগর নয়, পুরো অঞ্চলে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বর্তমানে গড়ে ৪০-৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে ৫৫-৬০ শতাংশ সময় লোডশেডিংয়েই থাকতে হচ্ছে। এছাড়া, বিকল্প উপায় নেই। তিনি আরও বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় দ্রুত সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না, যার ফলে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/