• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জগন্নাথপুরে নির্বাচনী বিরোধে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় বিএনপি নেতা সৈয়দ জহর গুরুতর আহত ক্যাম্পাসে আদর্শহীন ছাত্র রাজনীতির অবসান চাই দোয়ারাবাজারে ইরার বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে ইউএনও অরূপ রতন সিংহ ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পলাতক  আসামী তাহিদুল গ্রেফতার মধ্যনগর পুলিশের বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত আসছে আনোয়ার পারভেজের নতুন বই ‘মধ্যবয়সী নারী’: এক অদম্য জীবনযুদ্ধের গল্প শান্তিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় থমকে গেল কুরআনে হাফিজ হওয়ার স্বপ্ন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সাইপ্রাস যুবদলের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইমরান, সাধারণ সম্পাদক মিল্লাত, সাংগঠনিক সম্পাদক রেদ্বওয়ান শাপলা ট্রাজেডির গুপ্ত ষড়যন্ত্রকারীদেরও বিচার করতে হবে : সাআদ বিন জাকির

স্বাধীন কণ্ঠের শক্তি-বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের প্রাসঙ্গিকতা

জিএম রাশেদ / ৬৬ সময় :
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

 

প্রতিবছর ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এই দিনটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক স্মরণ নয়; এটি সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, নির্ভীক সাংবাদিকতার মূল্য উপলব্ধি করা এবং গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের গুরুত্ব পুনর্বিবেচনার একটি সুযোগ।
গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ—এ কথা আমরা বহুবার শুনেছি। কিন্তু এই দর্পণ যদি ঝাপসা হয়ে যায়, তবে বাস্তবতাও অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যম জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করে, ক্ষমতার জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করে এবং সমাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতির ফলে সংবাদ পৌঁছানোর গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে ভুয়া খবর, বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং অপপ্রচারের ঝুঁকি। এই প্রেক্ষাপটে একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং সত্য যাচাই করা, প্রেক্ষাপট তুলে ধরা এবং জনস্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখা।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে এখনো সাংবাদিকরা নানা ধরনের চাপ, হুমকি এবং সীমাবদ্ধতার মধ্যে কাজ করেন। অনেক ক্ষেত্রে সত্য প্রকাশের কারণে তাদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ে। এই বাস্তবতা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মুক্ত গণমাধ্যম কেবল একটি নীতি নয়—এটি একটি সংগ্রাম, যা প্রতিনিয়ত চালিয়ে যেতে হয়।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আমাদেরকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়: আমরা কি সত্যিই একটি মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিত করতে পেরেছি? আমরা কি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা রক্ষায় যথেষ্ট সচেতন?
এই দিবসের মূল চেতনা হলো—”তথ্যের স্বাধীনতা মানেই মানুষের স্বাধীনতা”। একটি সমাজ তখনই এগিয়ে যায়, যখন সেখানে ভয়হীনভাবে মত প্রকাশ করা যায়, প্রশ্ন তোলা যায় এবং সত্য বলা যায়।
একজন সংবাদ কর্মী হিসেবে এই দিনটি আমার জন্য শুধুই একটি পেশাগত উপলক্ষ নয়; এটি একটি নৈতিক অঙ্গীকারের পুনর্নবীকরণ। সত্যের পক্ষে থাকা, নিরপেক্ষ থাকা এবং মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও দেখুন....
https://slotbet.online/