ঈদে মিলাদুন্নবী স:,উদযাপনে শরীয়ত নির্দেশিত কোন নীতিমালা নেই,এজন্য বিভিন্ন মাসলাক ও ফের্কা নিজেদের মতো উদযাপন করেছে-
০১
চট্রগ্রামে চারদশক থেকে জশনে জুলুশ শুরু হয়েছে,পাকিস্তানের অখ্যাত এক ব্যক্তি কথিত আওলাদে রাসুল নেতৃত্ব দেন।নারী পুরুষদের যৌথ র্যালি বের হয়।
০২
দুএকটি স্থানে হিন্দু দের দু র্গা শোভাযাত্রার মতো রাওযায়ে আতহারের প্রতিকৃতি নিয়ে ব্যান্ড পার্টি সহ র্যালি করতে দেখা গেছে।
০৩
কুমিল্লায় ডিজে গান বাজিয়ে র্যালি বের করার দু:সা্হস করা হয়েছে।
০৪
রাজপথে গানের তালে তালে নারী ও পুরুষদের নাচতে দেখা গেছে।
০৫
খৃষ্টানদের অনুকরণে জন্মদিনের কেক কাটা হয়েছে।নাউজুবিল্লাহ।
তবে দেশের বিখ্যাত বুজুর্গ হযরত মাওলানা আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলি রাহিমাহুল্লাহ প্রতিষ্টিত তালামিযে ইসলামিয়ার র্যালি ছিল ব্যতিক্রমী-
০১
কোন ধরনের বাদ্যযন্ত্র ছিল না।
০২
কোন নারীর অংশ গ্রহণ ছিল না।
০৩
রাসুলুল্লাহ স: এর শানে চমৎকার নাশিদ
বাজতেছিল।
০৪
মধুর কন্ঠে দরুদ শরীফের সুর বাজতেছিল।
০৫
উত্তেজনাকর শ্লোগান ছিল না।
০৬
পবিত্র কালেমার সাদা পতাকা পতপত করে উড়ছিল।
০৭
লৌকিকতা নয়,অংশ আশেক রাসুলদের রাসুল প্রেমে কাঁদতে দেখেছি।
০৮
শান্তশিষ্ট বিশাল র্যালি ছিল,কোন উত্তেজনা নয়।
আরেকটা প্রীতিকর বিষয়,ফুলতলি মাসলাকের উদীয়মান কয়েকজন আলেম ঈদে মিলাদুন্নবী নিয়ে যেসব পর্যালোচনা করেন,ঈদ মানে আনন্দ,শরীয়তের ঈদ নয়, একথা সুস্পষ্ট করে থাকেন,অথচ অনেক মাজার পুজারিরা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার উপর ও কথিত ঈদের গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
আরেকটি বিষয় ভালো লেগেছে,ঈদে মিলাদুন্নবী সাথে ভিন্নমত জানিয়ে প্রশ্নবোধক একটা পোস্ট করেছিলাম-
মাশাল্লাহ ফুলতলী মাসলাকের ভাইয়েরা শালীন ভাষায় গঠনমুলক জবাব দিয়েছেন।
এভাবেই ইলমি আলোচনা-পর্যালোচনা হউক,কাউকে গালি বা কটাক্ষ নয়।
দিনশেষে বালাকোটের মহানায়ক হযরত সাইয়েদ আহমদ শহীদ রহ আমাদের শেকড়।
অন্তত তিনটি দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলা ঈমানের দাবি-
০১
কা দি য়া নীদের অমুসলিম ঘোষণা।
রাসুল দ্রো হীদের মৃত্যুদন্ড।
০৩
আম্বিয়ায়ে কেরাম ও সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা নিষিদ্ধ।
পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে কাছাকাছি আসা ছাড়া উপায় নেই।
আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা উপলব্ধি করে পদক্ষেপ নেয়ার তাওফিক দিন।
মুহাদ্দিস: জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার মাদরাসা সিলেট




