যার কিছু নেই, সে-ই তো হেসে
দিব্যি ঘুমায় দুচোখ ভেসে,
সুখের সুবাতাসে বুঁদ হয়ে দিন কাটে যে তার!
বিত্ত যাদের অগাধ, যাদের সুখের সাগর নদী।
তারাও কেন কাঁদে তবে? কেউ তা জানে যদি?
আমি তো ভাই অতি সাধারণ, দিন আনি দিন খাই,
কারও কাছে তো চাওয়া- পাওয়ার প্রত্যাশা কিচ্ছু নাই!
ভবঘুরে মন, চারপাশের এই রূপ দেখে আজ ভাবি—
অর্থবিত্তের ঝলকানিতেই লুকিয়ে কিসের দাবি?
মনে মনে হাসি, নিজেকেই শুধাই—
‘ওরে অবুঝ মন, অকারণে তোর কান্না কেন ভাই?’
এ কলির যুগে তাল মিলিয়ে চলা নামিদামি যে লোক,
একবেলার বাসি খাবার ফেলেও কাটায় আভিজাত্যের শোক!
বিশাল বাড়ি, দামি গাড়ি, বৈভবের এই মেলা।
সেথায় কি আর গরিব স্বজনের জুটবে একটু অবহেলা?
আপন হলেও গরিব যে সে, মানায় কি আর তাদের পাশে?
বুকের ভেতর ভয় জমে তাই, এক অজানা শঙ্কায়—
কেন যে আজ অকারণে এই মনটা কেঁদে ভাসায়?




